সম্প্রতি একটি জরিপ চালিয়েছিল যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আরউইচ। তাতে ২ হাজার জন অংশ নিয়েছিলেন। ওই জরিপে দেখা গেছে, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী এক–চতুর্থাংশ মানুষই ফোন ধরেন না। তাঁরা জানিয়েছেন, ফোন এলে তাঁরা এড়িয়ে যান, না হয় খুদে বার্তার মাধ্যমে জবাব দেন। আর ফোন নম্বর না চিনলে, ইন্টারনেটে খোঁজ চালিয়ে পরিচয় জানার চেষ্টা করেন।
জেন–জি ও মিলেনিয়ালসদের আগের যে প্রজন্ম রয়েছে, তাদের কাছে ফোনে কথা বলাটা অতি স্বাভাবিক একটি বিষয়। আমার মা–বাবা যখন কৈশোরে ছিলেন, তখন ল্যান্ডলাইন টেলিফোনে কথা বলার জন্য ভাই–বোনের সঙ্গে একপ্রকার লড়াইয়ে নামতেন তাঁরা। আর ফোনটি বাড়ির এমন জায়গায় থাকত যে তাঁদের কথোপকথন পুরো পরিবারই শুনতে পেত।
এই দুই প্রজন্মের মধ্যে চিন্তাভাবনা বা আচরণে পার্থক্য থাকলেও একটি সাধারণ মিল খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। তাদের মতে, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের এক–চতুর্থাংশ কখনোই ফোনকল গ্রহণ করেন না। অর্থাৎ ফোনে কথা বলেন না। বরং তারা লিখিত বা খুদে বার্তার মাধ্যমে উত্তর বা প্রতিক্রিয়া জানাতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।
১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী দুই হাজারের বেশি ফোন ব্যবহারকারীদের ওপর এ জরিপ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আসউইচ। তবে যাদের বয়স ৩৫ তারা কিন্তু ঠিকই স্বাভাবিকভাবে ফোনে কথা বলে থাকেন।
এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের মনোবিজ্ঞানী এলেনা টুরোনি জানিয়েছেন, অল্প বয়সীদের আসলে ফোনে কথা বলার অভ্যাস গড়ে ওঠেনি। এটি এখন অদ্ভুত লাগছে আমাদের কাছে। তরুণেরা এখন ফোন বাজতে শুরু করলে ভয় পায়। অধিকাংশের ফোনে কল সাইলেন্ট থাকে। কল এলে ফোনের পর্দায় আলো জ্বলে ওঠে। ৩৫ বছরের কম বয়সীদের ফোনে জোরালো রিংটোনও শোনা যায় না।
এই দুই প্রজন্মের মধ্যে চিন্তাভাবনা বা আচরণে পার্থক্য থাকলেও একটি সাধারণ মিল খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। তাদের মতে, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের এক–চতুর্থাংশ কখনোই ফোনকল গ্রহণ করেন না। অর্থাৎ ফোনে কথা বলেন না। বরং তারা লিখিত বা খুদে বার্তার মাধ্যমে উত্তর বা প্রতিক্রিয়া জানাতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।
১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী দুই হাজারের বেশি ফোন ব্যবহারকারীদের ওপর এ জরিপ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আসউইচ। তবে যাদের বয়স ৩৫ তারা কিন্তু ঠিকই স্বাভাবিকভাবে ফোনে কথা বলে থাকেন।
এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের মনোবিজ্ঞানী এলেনা টুরোনি জানিয়েছেন, অল্প বয়সীদের আসলে ফোনে কথা বলার অভ্যাস গড়ে ওঠেনি। এটি এখন অদ্ভুত লাগছে আমাদের কাছে। তরুণেরা এখন ফোন বাজতে শুরু করলে ভয় পায়। অধিকাংশের ফোনে কল সাইলেন্ট থাকে। কল এলে ফোনের পর্দায় আলো জ্বলে ওঠে। ৩৫ বছরের কম বয়সীদের ফোনে জোরালো রিংটোনও শোনা যায় না।
জরিপে অংশ নেওয়া অর্ধেকের বেশি তরুণ জানিয়েছেন, অপ্রত্যাশিত ফোনকলকে খারাপ খবর বলে মনে করেন তরুণেরা।
এ বিষয়ে মনোবিজ্ঞানী এলোইস স্কিনার জানান, ‘ফোনকলকে খারাপ কিছুর সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ভয় পান তরুণেরা। আমাদের জীবন এখন ব্যস্ত হয়ে উঠছে। তরুণদের কাজের সময়সূচীতে পরিবর্তন আসছে। তাদের কাছে বন্ধুকে কল করার জন্য সময় কম।

Post a Comment